FeniNews

আমজাদ হোসেনের মরদেহ জামালপুরে


নিউজ ডেস্ক:

প্রয়াত চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের মরদেহ জামালপুরে আনা হয়েছে। ঢাকা থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স করে ২২ ডিসেম্বর (শনিবার) রাত সাড়ে ১০টায় জামালপুর শহরের ইকবালপুরে নিজ বাসভবনে তার মরদেহ পৌঁছায়।

রোববার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে ১০টায় তাকে জামালপুর পৌর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

গত ১৪ ডিসেম্বর (শুক্রবার) বাংলাদেশ সময় দুপুরে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান প্রয়াত এ চিত্র পরিচালক। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। এরপর ২১ ডিসেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বিমানের একটি প্লেনে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় তার মরদেহ। 

শনিবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আমজাদ হোসেনের মরদেহ রাখা হয়। সেখান থেকে মরদেহ নেওয়া হয় এটিএন বাংলায়। এরপর বাদ জোহর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) আমজাদ হোসনের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে মরদেহ চ্যানেল আইতে নেওয়া হয়। এরপর দাফনের জন্য তার মরদেহ ঢাকা থেকে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স করে শনিবার (২২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টায় জামালপুর শহরের ইকবালপুরে নিজ বাসভবনে পৌঁছায়।

সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, তাকে একনজর দেখতে তার আত্মীয়-স্বজন, শোভাকাঙ্ক্ষী, ভক্ত ও সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ কিছুক্ষণের নামানো হয়। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম তাকে দেখতে আসেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এছাড়া শহরের বিভিন্ন রাজনৈতিক, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ব্যক্তিরাসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাকে একনজর দেখতে ছুটে আসেন। পরে তার মরদেহ গাড়িতে তুলে রাখা হয়। ২৩ ডিসেম্বর সকালে সর্বসাধারণের দেখা ও জানাজার জন্য তার মরদেহ জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিয়ে যাওয়া হবে।

প্রয়াত আমজাদ হোসেনের বড় ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল  বলেন, ‘বাবার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী জামালপুরে তার আব্বা-আম্মার কবরের পাশেই সমাহিত করা হবে। সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ২৩ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় তার মরদেহ জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাখা হবে। এরপর সকাল ১০টায় নামাজে জানাজা শেষে জামালপুর পৌর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য গুণী এ নির্মাতাকে গত ২৭ নভেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে। সেখানে তিনি প্রখ্যাত নিউরো সার্জন টিরা ট্যাংভিরিয়াপাইবুনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গোলাপি এখন ট্রেনে, ভাত দে, কসাই, নয়নমণি, দুই পয়সার আলতা’, জন্ম থেকে জ্বলছি’সহ এমন আরও কিছু জনপ্রিয় সিনেমার কাহিনিকার, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক আমজাদ হোসেন।

গুণী এই নির্মাতা চলচ্চিত্রশিল্পে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতস্বরুপ- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ একাধিক রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

সূত্র:বানি



প্রকাশঃ রবিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:২০ পূর্বাহ্ন



ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল-হাসান বলেছেন, সেলিম আল দীন ও তাঁর কর্মকে নতুন... বিস্তারিত

সঠিক তথ্য ছাড়া করোনা সংক্রান্ত কোন সংবাদ গনমাধ্যমে প্রচারিত না হয় সে ব্যাপারে... বিস্তারিত

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল ৫জি স্মার্টফোনের তালিকায়... বিস্তারিত

কারোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় চলছে সর্বাত্মক লকডাউন, ঘর থেকে বের হয়ে... বিস্তারিত

ফেনীয়ান বিজনেস ওমেন গ্রুপের আয়োজনে ও অ্যাপ ভিত্তিক ফুড ডেলিভারি সার্ভিস গতি’র... বিস্তারিত

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে অ্যাপ ভিক্তিক ডেলিভারি সার্ভিস প্রতিষ্ঠান গতি।... বিস্তারিত

ফেনীতে পার্টটাইম সাইকেল চালিয়ে কলেজ ও ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের আয়ের সুযোগ... বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও তার স্ত্রী আয়েশা... বিস্তারিত

ঈদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে দিতে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে "ঈদের সাজে ছোট্ট সোনামণির... বিস্তারিত